দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চীনের সামরিক বাহিনী ও প্রশাসনে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দুর্নীতিবিরোধী অভিযান আরও জোরদার হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় দেশটির সর্বোচ্চ আইনসভা ‘ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস’ (এনপিসি) থেকে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ছয়জন শীর্ষ জেনারেলসহ মোট ১৩ জন সদস্যকে বহিস্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া একজন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।
শুক্রবার রাতে ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্থায়ী কমিটি এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
অপসারিত ছয় সেনা কর্মকর্তার মধ্যে কয়েকজন উচ্চপদস্থ কমান্ডার রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত চলছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বহিস্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের ইকুইপমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের জেনারেল সু সুয়েচিয়াং। গত অক্টোবর মাসে কমিউনিস্ট পার্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তার অনুপস্থিতি নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল।
এ ছাড়া ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াং কাংপিংও বহিস্কৃতদের তালিকায় রয়েছেন।
শুধু সামরিক বাহিনী নয়, বেসামরিক প্রশাসন ও রাজনীতিতেও এই শুদ্ধি অভিযানের প্রভাব পড়েছে। আইনসভা থেকে বাদ পড়াদের মধ্যে রয়েছেন জিনজিয়াংয়ের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক প্রধান এবং একজন শীর্ষ আর্থিক নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তাও।
বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক বাহিনী ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান থেকে দুর্নীতি দূর করার পাশাপাশি শতভাগ রাজনৈতিক আনুগত্য নিশ্চিত করতেই প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দীর্ঘদিন ধরে এই শুদ্ধি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।
সাম্প্রতিক এই গণবহিষ্কারের ঘটনায় স্পষ্ট হয়েছে, বেইজিংয়ের দুর্নীতিবিরোধী অভিযান থামার কোনো লক্ষণ নেই; বরং তা আরও জোরদার হচ্ছে।
এমএস/